আজ : শুক্রবার, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৯শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং, ৯ই সফর, ১৪৪০ হিজরী, রাত ৮:০৬,

পঙ্গুত্ব বরণকারী ছাত্রলীগ নেতার পুরস্কার দল থেকে বহিষ্কার; নাঙ্গলকোটে প্রতিবাদ!

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সুমনের উপর সন্ত্রাসী হামলা এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের বহিস্কারাদেশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এবং নাঙ্গলকোট জুড়ে চলছে বিক্ষোভ প্রতিবাদ, নিন্দা। উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক কামরুল হাসান জুয়েল (প্রবাসী ছেলে) তার ফেসবুকে লিখেন-

এই কেমন মানবিকতা? সন্ত্রাসী ধারা আঘাত প্রাপ্ত হয়ে নাঙ্গলকোট থানা ছাত্রলীগ সভাপতি যেখানে মৃত্যুর সাথে পান্জা লডছে। যেখানে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এই ঘটনার প্রতিবাদ জানানোর কথা নিন্দা জানানোর কথা। তাকে দেখতে হাসপাতালে আসার কথা। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি জানানোর কথা।কিন্ত তা না করে রক্তাক্ত দেহ অঙ্গহানী ও মাথায় আঘাতপাপ্ত ছাত্রলীগ সভাপতি কে বহিস্কার এর আদেশ দিলো। মার খেয়ে পঙ্গুত্ব বরণকারী এই ছাত্রলীগ নেতার উপহার এখন বহিস্কার। এতে করে মনে প্রশ্ন জাগে ছাত্রলীগ থেকে আসলে কি মানবিক ধিক গুলো হারিয়ে যাচ্ছে?

Zahed Bin Jonayed নামে একজন লিখেছেন- বাবা কর্তৃক টিফিন বাবদ ২০টাকা একা না খেয়ে সংগঠনের ছেলেরা মিলে খেলাম। ভাঁড়ার টাকা পকেটে জমিয়ে হেঁটে হেঁটে স্কুলে গেলাম-আসলাম, আর সেই জমানো টাকা খরচ করলাম মিটিং মিছিলে। বাবার পকেট থেকে আর পাওয়া যাচ্ছেনা!! তাই বাবার অজান্তে জমি বিক্রয় করে রাজনীতির খরচ চালালাম। রেলওয়েতে চাকরী টা হওয়ার পর ও সেটা করলাম না, কারন রাজনীতি প্রেমে পড়ে গিয়েছি, তাকে ছাড়া থাকতে পারবোনা। সবই উৎসর্গ করলাম তোর জন্য, সেই তুই রাজনীতি আজ জীবনটা ও চেয়ে বসেছিস আমার কাছে?? যাহ নিয়ে নে এই জীবন টাও, এটাই তো বাঁকি আছে আর আমার কাছে। বলছি #আব্দুর_রাজ্জাক_সুমন ভাইয়ের কথা। 

Merza Foysel Ahmed Mohon লিখেছেন- রক্তাক্ত ৪ মার্চ, নৃশংসতার ৪ মার্চ। আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া/করিতে পারিনি চিৎকার, বুকের ব্যাথা বুকে চাপায়ে/ নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার..!  কতটুকু অশ্রু গড়ালে হৃদয় জ্বলে শিক্ত, কত প্রদীপ শিখা জ্বালালে জীবন আলোয় দিপ্ত…! কত ব্যাথা বুকে চাপালেই তাকে বলি আমি ধৈর্য/ নির্মমতা কত দূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ্ব…?

৪ মার্চ নাঙ্গলকোট থানা ছাত্রলীগের সভাপতি Md Abdur Razzak Sumon কে হত্যার উদ্দেশে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে নৃশংসভাবে রক্তাক্ত করে ফেলে চলে যায়। আর সেই রক্তের দাগ না শুকাতেই,  ৩ ঘন্টার মাথায় অন্যায় ভাবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ খুনিদের বিচার দাবি না করে উল্টো রক্তাক্ত রাজ্জাক সুমন কে বহিস্কারের আদেশ দেয়। -যা লজ্জাজনক। একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসাবে আমরা লজ্জিত। এই কেমন বর্বর আচরন করলো কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ?
এতে কি খুনিরা উৎসাহিত হলো না? অবিলম্বে নাঙ্গলকোট থানা ছাত্রলীগ সভাপতি রাজ্জাক সুমন এর উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচার চাই। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ অন্যায় ভাবে বহিস্কার করা, রাজ্জাক সুমনের বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার চাই। -খুনিদের ক্ষমা নেই, ক্ষমা নেই।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কুমিল্লাকে দ্রুততম সময়ে বিভাগ করার জোর দাবি

Share রিকু আমির : নামকরণ যা-ই হোক, কুমিল্লাকে দ্রুততম সময়ে বিভাগ করার জোর দাবি উঠেছে বৃহত্তর কুমিল্লা (কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-চাঁদপুর) সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত একটি সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান থেকে। গত রোববার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চলের প্রয়াত ...

খুলনায় নির্ভার আ.লীগ, শঙ্কায় বিএনপি!

Share খুলনা সিটি নির্বাচন কাল ২৩৪ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ভোট ডাকাতি ও নাশকতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপির দেড় শ নেতা কর্মী গ্রেপ্তার বলে দাবি নগরীতে নেমেছে ১৬ প্লাটুন বিজিবি প্রচারণা শেষ। রাত পোহালেই ভোট। খুলনা সিটি নির্বাচনে ...