আজ : বৃহস্পতিবার, ৬ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০শে জুন, ২০১৯ ইং, ১৬ই শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী, সকাল ৭:৫৯,

সবার নজর কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-সদর দক্ষিণ) আসন পুনর্বিন্যাসের দিকে!

সাইফুল ইসলাম নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা): 

কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-সদর দক্ষিণ) সংসদীয় আসনের সাথে নতুন লালমাই উপজেলা যুক্ত থাকায় বর্তমানে নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই এ তিন উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-১০ বিশাল সংসদীয় এলাকা রয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসনটি নির্বাচন কমিশনের পুনর্বিন্যাসের দিকে নজর রয়েছে সবার। যদিও ২০১৩ সালে নাঙ্গলকোট নিয়ে আগের স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন ফিরে পেতে নাঙ্গলকোটের বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়া হাইকোর্টে একটি রিট মামলা করেছিলেন। গত ২০ মার্চ হাইকোর্ট এক রায়ে নাঙ্গলকোটকে স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন ঘোষণা করেন। রায়ের কপি নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হয়েছে। এ সংসদীয় আসনটি পুনর্বিন্যাসের দিকে নজর দেয়ার পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের সরব প্রচারণা চলছে। বিশেষ করে আগামী ঈদুল আজহা ঘিরে প্রার্থী ও ভোটারদের গণসংযোগের মাত্রা ভিন্নরূপ নিয়েছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, লেবার পার্টির ১১ প্রার্থী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। এদের মধ্যে নতুন মুখ রয়েছেন পাঁচজন।

১৯৮৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত নাঙ্গলকোটকে নিয়ে (কুমিল্লা-১১) স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন ছিল। কিন্তু ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্বাচন কমিশন কুমিল্লার একটি আসন কমাতে গিয়ে নাঙ্গলকোট স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন ভেঙে নাঙ্গলকোটের ১২টি ইউনিয়ন এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসন গঠন করে। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে আবার পরিবর্তন আসে। ওই সময় নাঙ্গলকোট উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন, সদর দক্ষিণ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে বিশাল সংসদীয় আসন গঠিত হয। ওই সময় প্রায় ৯০ কিলোমিটারব্যাপী সংসদীয় আসনটিতে ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় পাঁচ লাখ ১২ হাজার ৬১৭ জন। বর্তমানে নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ এবং নবগঠিত লালমাই উপজেলাসহ তিনটি উপজেলায় হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী ভোটার সংখ্যা হচ্ছে পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার ১২৮ জন।

কুমিল্লা-১১ (নাঙ্গলকোট) আসনে ১৯৯১ সালে পঞ্চম এবং ১৯৯৬ সালে ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী এ কে এম কামারুজ্জামান এবং ২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়া সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-সদর দক্ষিণ) আসনে বর্তমান পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি নির্বাচনের মাধ্যমে এবং ২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচনে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সাবেক কুমিল্লা-৯ সংসদীয় আসনে ১৯৯১ সালে এবং ২০০১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই আসনে ১৯৯৬ সালে বর্তমান পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

আওয়ামী লীগ থেকে এ আসনে একক প্রার্থী হিসেবে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) এমপির নির্বাচন করার কথা থাকলেও কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শিল্পপতি সালাহউদ্দিন আহমেদের নামও প্রার্থী তালিকায় রয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি গত সাড়ে আট বছরে নাঙ্গলকোট এবং সদর দক্ষিণ উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেন। বর্তমানে দলীয় রাজনীতিতেও আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলাতে একচ্ছত্র নেতৃত্ব বজায় রেখেছেন। তিন উপজেলাতে কোনো দলীয় কোন্দল নেই। নেতাকর্মীরা আ হ ম মুস্তফা কামালের নেতৃত্বে সংগঠিত রয়েছে।

অন্য দিকে নাঙ্গলকোট এবং সদর দক্ষিণ উপজেলায় বিএনপির ভালো অবস্থান রয়েছে। আসনটিতে বিএনপি দলীয় প্রার্থী হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভুঁইয়া, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য, জাসাস কেন্দ্রীয় নেতা ও বেগম খালেদা জিয়ার মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এবং লন্ডন প্রবাসী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী-সলিসিটর ইকরামুল হক মজুমদার বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।

নাঙ্গলকোটে বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়া ১৯৯৮ সাল থেকে দলের হাল ধরে তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সংগঠিত করে ২০০১ সালে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি নির্বাচিত হয়ে নাঙ্গলকোটে যোগাযোগব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, স্কুল, কলেজ ভবন নির্মাণ, হাসপাতাল নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটি মামলায় আবদুল গফুর ভূঁইয়া জেলে যান। জেল থেকে আসার পর সাবেক উপজেলা বিএনপি সহসভাপতি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে বিএনপিতে আলাদা একটি গ্রুপ তৈরি হয়। সে থেকে নাঙ্গলকোটে বিএনপির দুর্গে ফাটল সৃষ্টি হয়। এ দুই গ্রুপে কমিটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাও ঘটে।

২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে একবার আবদুল গফুর ভূঁইয়া আরেকবার মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়। কিন্তু চূড়ান্ত পর্যায়ে মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়া দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান। ওই সময় নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী পরাজিত হন। নাঙ্গলকোটে মাঠপর্যায়ে আবদুল গফুর ভূঁইয়ার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবদুল গফুর ভূঁইয়া সমর্থিত পাঁচ চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়লাভ করে। নাঙ্গলকোটে আবদুল গফুর ভূঁইয়ার ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকলেও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া কেন্দ্র থেকে নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির কমিটি নিয়ে আসেন। তবে দীর্ঘদিনেও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেননি। আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই চলছে বিএনপি। দীর্ঘদিন পর ছাত্রদলের কমিটি গঠন হলেও যুবদলের কমিটি গঠন হয়নি। এমনকি বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের কমিটিও গঠিত হয়নি। এ ছাড়া নাঙ্গলকোট বিএনপিতে দলীয় কোন্দল এবং সাংগঠনিক স্থবিরতার কারণে গত সাড়ে আট বছরে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

আবদুল গফুর ভূঁইয়া এবং মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার নাঙ্গলকোটকেন্দ্রিক দলীয় তৎপরতা বেশি দেখা গেলেও সদর দক্ষিণ উপজেলা ও নবগঠিত লালমাই উপজেলায় দলীয় তৎপরতা খুব একটা চোখে পড়ে না। কিন্তু সদর দক্ষিণ উপজেলায় মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া সমর্থিত বিএনপির কমিটি সক্রিয় রয়েছে। এ দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীর সাথে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার দূরত্ব রয়েছে। মনিরুল হক চৌধুরীর সদর দক্ষিণ উপজেলায় ব্যক্তি ইমেজ, দলীয় অবস্থান ভালো থাকলেও সাংগঠনিক তৎপরতা খুব একটা নেই বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। এ ছাড়া নাঙ্গলকোটেও তার কোনো সাংগঠনিক তৎপরতা নেই।

নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ এবং নবগঠিত লালমাই উপজেলায় বিএনপির ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকলেও তিন নেতার বিপরীতমুখী অবস্থানে ত্রিমুখী দলীয় কোন্দল এবং সাংগঠনিক স্থবিরতার কারণে দলীয় নেতাকর্মীরা হতাশায় ভুগছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। তবে আগামী সংসদ নির্বাচনে এ আসনটিতে বিএনপি জয়ের আশা করলে, বিএনপি হাইকমান্ড দলীয় কোন্দল নিরসন করে মাঠ পর্যায়ে নিরপেক্ষ জরিপের মাধ্যমে জনপ্রিয় প্রার্থীকে মনোনয়ন প্রদান করতে হবে। অন্যথায় আবারো ২০০৮ সালের মতো আসনটিতে বিএনপির পরাজয়ের আশঙ্কা রয়েছে। অবশ্য দলের নেতাকর্মীরা বলেন, দল যাকে মনোনয়ন দেয় তার পক্ষে তিন উপজেলার নেতাকর্মীরা সব ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে একজোট হয়ে কাজ করলে এ আসনটিতে বিএনপির জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। আবার নির্বাচন কমিশন যদি নাঙ্গলকোটকে নিয়ে আলাদা সংসদীয় আসন ঘোষণা করে সে ক্ষেত্রে নাঙ্গলকোটের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সব বিভেদ ভুলে একসাথে কাজ করলে নাঙ্গলকোটেও বিএনপির জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া বিএনপি জামায়াতের সাথে জোটগতভাবে নির্বাচন করলে এবং সুষ্ঠুভাবে ভোট হলে বিএনপির ভোটের সাথে জামায়াতের ভোট এক হয়ে আসনটিতে ২০ দলীয় ঐক্যজোটের জয়ের নিশ্চিত সম্ভাবনা রয়েছে বলে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা যায়।

নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ এবং লালমাই উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর আলাদা ভোট ব্যাংক এবং তাদের ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় নির্বাচন নিয়ে সংশয় থাকলেও এবং জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যে না থাকলেও পরোক্ষভাবে তাদের তৎপরতা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নাঙ্গলকোট থেকে দুইটি এবং সদর দক্ষিণ উপজেলায় তিনটি ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়লাভ করেন। জানা যায়, জোটগতভাবে নির্বাচন হলে জামায়াত জোটের কাছে কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসন চাইতে পারে। প্রার্থী মনোনয়নের ব্যাপারে দলের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীদের মতামত কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রের পার্লামেন্টারি বোর্ড থেকে এখনো চূড়ান্তভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও জামায়াত নেতাকর্মীদের মুখে অর্থনীতিবিদ ড. দেলোয়ার হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত, সাবেক চেয়ারম্যান সহিদ উল্লা মিয়াজীর নাম শোনা যাচ্ছে।

এ দিকে ২০ দলীয় জোটের শরিক লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদি নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, জোটনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০ দল থেকে এ আসনে মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচন করবেন। তবে মনোনয়ন না পেলে, বেগম খালেদা জিয়া যাকেই প্রার্থী করবেন তিনি ওই প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য কাজ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

Share স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের রেজি:, বিজয় দিবস উদযাপন, বাৎসরিক প্রোগ্রাম ও আগামি ২০ নভেম্বর এসোসিয়েশনের ১০ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে পরামর্শ সভা ২ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল ৪টায় পৌরসভার রওশন রফিক একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। ...

দ‌ক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্য চুইঝাল!

Share মৃত্যুঞ্জয় রায়, খুলনা: খুলনা বিভাগে চুইঝাল এত জনপ্রিয় যে একে খুলনার কৃষিপণ্য হিসেবে ব্র্যান্ডিং করাই যায়। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজারে আব্বাসের হোটেল চুইঝাল দিয়ে রান্না করা খাসির মাংসের জন্য বিখ্যাত হয়ে উঠেছে। চুইঝাল-মাংস খুলনার ...