আজ : মঙ্গলবার, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং, ১৪ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী, সন্ধ্যা ৭:৫২,

কর্তা নিজেই যেখানে বড় দুর্নীতি বাজ!

নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচও) এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ।
———দেখার যেন কেউ নেই।

কাউছার আলম মিয়াজী।।

সবাইকে নিয়মের মধ্যে থেকে কাজ করার ‘নীতি’ কথা বলেই অনিয়ম করেন তিনি। এ যেন নীতির রাজার দুর্নীতি। প্রথমে তিনি অধীনস্থদের কাছে ছিলেন নীতিবান অফিসার। এখন তাদের কাছে তিনি দুর্নীতির হেড কোয়ার্টার। যাকে নিয়ে এত অভিযোগ আর আতঙ্ক তিনি দেব দাস দেব। নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচও)।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মকর্তা নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বসে বেশীর ভাগ সময় বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের মালিকদের সাথে মিটিং করেন। এসময় তিনি সবাইকে নীতি আদর্শ মতে চলা ও অনিয়ম-দুর্নীতি থেকে বিরত থাকার জন্য বলেন। কিন্তু কয়েকদিন গড়াতেই তার আসল রুপ বেরিয়ে আসে। অল্প কয়েকদিনেই উপজেলার স্বাস্থ্য সেবাকে অনিয়মের স্বর্গরাজ্যে রুপান্তর করে তোলেন।
জানা যায়, ৩ ডিসেম্বর সকালে উপজেলার আল্ট্রা মর্ডান হসপিটালে আসেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেব দাস দেব। পরদিন ৪ ডিসেম্বর দুপুর ১২ টায় স্থানীয় নোভা হসপিটালে আসেন তিনি। অফিস চলাকালীন ওই দু’টো হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের রোগীকে অচেতন করতে এসেছিলেন। এভাবে প্রতিদিন নাঙ্গলকোট, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের নাথেরপেটুয়ার কোন না কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে গিয়ে অস্ত্রেপচারের রোগীদের অজ্ঞান করছেন তিনি। আবার ব্যক্তিগত কাজে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করছেন। এ কর্মকর্তা ডাক্তার থেকে শুরু করে প্রশাসনের ধোঁপার বিলে পর্যন্ত পার্সেন্টেসের ছোঁয়া লাগিয়েছেন। ধোঁপার বিলসহ ল্যাব থেকে শতাংশ হারে ৫ থেকে ১০ পার্সেন্ট নিয়ে থাকেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের একজন স্বনাম ধন্য চিকিৎসক বলেন, প্রশাসনিকভাবে দেব দাস আমাদের বস। এজন্য কিছু বলতে পারি না। কিছু বললে তিনি বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেন। আমাদেরকে অফিস টাইমে প্রেকটিস করতে নিষেধ করেছেন। অথচ তিনিই আবার অফিস টাইমে অপারেশন করছেন। ব্যক্তিগত কাজে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সও ব্যবহার করছেন। তিনি নিয়ম নীতি না মেনে রাত ১২ টা কিংবা ১টা পর্যন্ত সরকারী গাড়ী ব্যবহার করছেন। রোগীদের জন্য গাড়ী বরাদ্দ থাকলেও তিনি তা ব্যবহার করছেন ব্যক্তি গত কাজে।
দুঃখ প্রকাশকরে হাসপাতালের একজন পিয়ন বলেন, স্যার ২ আঁটি লালশাক কিনার জন্য সরকারী গাড়ি নিয়ে বাজারে যান।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেব দাস মোবাইলে আমাকে বলেন, আপনি একসময় অফিসে আসেন চা খাব এবং কথা বলবো। এ কথা বলেই ফোনের লাইন কেটে দেন, পরে বার বার ফোন করলেও তিনি আর ফোন ধরেননি।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মুজিবুর রহমান বলে আমি লোক মারফত কিছু অনিয়মের কথা শুনেছি । তবে কেউ লিখিত কোন অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে ছাড় দেয়া হবে না।

  • No items.

বিপিএলের সর্বশেষ সবখবর!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশন’র লেখক সংবর্ধণা অনুষ্ঠিত

Share স্টাফ রির্পোটার: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের ২০১৭-১৯ সেশনের কমিটির পরিচিতি সভা ও লেখক সংবর্ধণা অনুষ্ঠান গতকাল ১১ মে শুক্রবার বিকাল ৪টায় নাঙ্গলকোট পৌরশহরস্থ ডা. জামান্স কিন্ডারগার্টেন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুকুল ...

নতুন পরিচয়ে বাংলাদেশ!

Share উৎক্ষেপণে প্রস্তুত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, চলছে ক্ষণগণনা দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ স্থানীয় সময় মধ্যরাতে কক্ষপথের উদ্দেশে উড়তে পারে। ইতোমধ্যে তার সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ...